ওয়েবসাইট কি? ডোমেইন এবং হোস্টিং কি? বাংলাদেশের ১০টি সেরা হোস্টিং কোম্পানি

ওয়েবসাইট কি (What is Website)

উকিপিডিয়ার মতে ওয়েবসাইট বলতে বোঝায়, কোন নির্দিষ্ট ওয়েব সার্ভারে রাখা- ওয়েব পেজ,ভিডিও,অডিও, ছবি বা যে কোন ধরণের তথ্য যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে পৃথিবীর যে কোন প্রান্ত থেকে  অ্যাক্সেস করা যায়। আমরা যখন আমাদের ব্রাউজার থেকে কোন ওয়েবসাইট কে অ্যাক্সেস করার চেষ্টা করি, তখন সার্চকৃত ওয়েবসাইটটি কোন ওয়েবসার্ভার থেকে এইচটিটিপি প্রোটোকলের মাধ্যমে সমস্ত ফাইলকে একত্রে করে একটি এইচটিএমএল ডকুমেন্ট আকারে আমাদের সামনে প্রদর্শন করে।

সহজ ভাবে বললে, ওয়েবসাইট হল ইন্টারনেটে থাকা একটি তথ্য ভাণ্ডার এর সমষ্টি। এটি একটি নির্দিষ্ট ডোমেইন নামের অধীনে সংগঠিত ওয়েব পৃষ্ঠা, ছবি, অডিও, ভিডিও ও অন্যান্য ডিজিটাল তথ্যের সমষ্টি। ওয়েবসাইটগুলি সাধারণত একটি ওয়েব সার্ভারে সংরক্ষিত থাকে এবং একটি ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহার করে অ্যাক্সেস বা প্রবেশ করা যায়।

A website is a collection of files accessed through a web address, covering a particular theme or subject, and managed by a particular person or organization.

a website is a page or collection of pages on the World Wide Web that contains specific information which was all provided by one person or entity and traces back to a common Uniform Resource Locator (URL).”

ওয়েবসাইট কত প্রকার

ওয়েবসাইট মূলত ২ ধরনের হয়ে থাকে। একটি হলো স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট এবং অপরটি হলো ডাইনামিক ওয়েবসাইট

স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট কি?

স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট হলো এমন এক ধরনরে ওয়েবসাইট যেখানে আপনার তথ্য গুলো ফিক্সড থাকে। মানে আপনি যে তথ্য গুলো দিয়েছেন তা অটোমেটিকালি পরিবর্তন হবে না। আপনি যে ভাবে তৈরী করেছিলেন সেভাবেই থাকবে। এই সব স্ট্যাটিক ওয়েবসাইটগুলো HTML দিয়ে তৈরী করা হয়। এর জন্য আপনার কোন ডাটাবেজের প্রয়োজন হয় ন।
যেহেতু আপনার ওয়েবসাইটের তথ্যগুলো ফিক্সড সেহেতু যদি কখনো তথ্য পরিবর্তন করার প্রয়োজন হয় তাহলে সেই তথ্য সম্বলিত পাতাটি ওয়েব সার্ভার থেকে ডাউনলোড করে তারপর পরিবর্তন করে আবার ওয়েব সার্ভারে এ রেখে দিতে হবে। মানে সব কিছুন ম্যানুয়াল।

ডাইনামিক ওয়েবসাইট কি?

স্ট্যাটিক ওয়েবসাইটের উল্টোটাই হলো ডাইনামিক ওয়েবসাইট। যেখানে আপনার তথ্য গুলো অটোমেটিকালি পরিবর্তন হবে আপনার লেখা প্রোগ্রামিং কোডের মাধ্যমে। যেমন আপনি যে আজকে আমার ওয়েব সাইট ভিজিট করেন তাহলে দেখতে পারবেন আজকের তারিখ কিন্তু আবার যদি ২ দিন পর আমার ওয়েবসাইট ভিজিট করনে তাহলে দেখতে পারবেন ২ দিন পরের তারিখ। এখানে আমি শুধু কোডের মাধ্যমে একটি সিস্টেম তৈরী করে রেখেছি যার ফলে আপনি একেক দিন এসে একেক তারিখ দেখতে পাচ্ছেন। মানে তথ্য অটোমেটিকালি পরবির্তন হচ্ছে। এটাই হলো ডাইনামিক ওয়েবসাইটের কাজ।

ডোমেইন এবং হোস্টিং কি?

১) ডোমেইন কি?

ওয়েরসাইট তৈরী করতে হলে আপনাকে আপনার ওয়েবসাইটের একটি নাম দিতে হবে। আর ওয়েবসাইটের সেই নামকেই বলা হয় ডোমেইন। যে নামের মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইট লোকজন খুজে পাবে সেটাই হলো ডোমেইন। যেমন আমরা ফেইসবুক কে খুজে পাই www.facebook.com দিয়ে। গুগল কে অমারা খুজেপাই www.google.com দিয়ে। যে নাম দিয়ে আপনার ওয়েবসাইট একজন লোক ভিজিট করবে সেটাই হলো আপনার ওয়েবসাইটের ডোমেইন । ডোমেইন শুধুমাত্র .com দিয়েই হবে সেরকম নয়, বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইটে বিভিন্ন ধরনের ডোমেইন লোকজন ব্যবহার করে। ব্যবসা বা সাধারন ব্যবহারের জন্য সবাই .com ই ব্যবহার করে। তবে বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইটের জন্য লোকজন বিভিন্ন ডোমেইন এক্সটেনশন ব্যবহার করে যেমন: অরগানাইজেশনের জন্য .org, নেটওয়ার্কিং সাইটের জন্য .net ইনফরমেশন সাইটের জন্য .info ইত্যাদিসহ আরও অনেক ধরনের ডোমেইন ব্যবহার করা হয়।

উপরে যে ডোমেইনের কথা বলা হলো সেটা প্রিমিয়াম ডোমেইন। এগুলো আপনার ওয়েবসাইটে ব্যবহার করতে হলে আপনাকে টাকা দিয়ে কিনতে হবে। সাধারনত এধরনের ডোমেইনের মূল্য ৮০০-২০০০ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে এক বছরের জন্য।

২) হোস্টিং কি?

অনেকেই ডোমেইন কি তা জানেন কিন্তু হোস্টিং কি তা জানেন না। আপনি একটি ডোমেইন কিনলেন তাহলে আপনি আপনার ওয়েবসাইটের একটি নাম কিনলেন। আপনার ওয়েবসাইট কে এমন একটা পিসি তে রাখতে হবে যেটা ২৪ ঘন্টা এবং বছরে ৩৬৫ দিন অন থাকবে। সবসময় চালু থাকে এমন একটা পিসিতে আপনার ওয়েবসাইট রাখার সুবিধা দিয়ে থাকে হোস্টিং কোম্পানীগুলো। হোস্টিং কোম্পানীগুলো মাসিক বা বাৎসরিক টাকার বিনিময়ে এ সার্ভিস দিয়ে থাকে। বিভিন্ন কোম্পানী বিভিন্ন ধরনের মূল্যে হস্টিং প্রভাইড করে। বাংলাদেশে আপনাকে হোস্টিং নিতে হলে বিভন্ন কোম্পানীকে বিভিন্ন ধরনের মূল্য পরিশোধ করতে হবে। তাদের পিসি থেকে নিদৃস্ট পরিমান জায়গা আপনাকে কিনে ব্যবহার করতে হবে।আর আপনি আপনার ওয়েবসাইটের জন্য যে জায়গাটা কিনবেন সেইট হলো হোস্টিং।আপনি চাইলে আপনার বাসার পিসিতেও আপনার ওয়েবসাইট রাখতে পারেন কিন্তু আপনার বাসার পিসি কি ২৪ ঘন্টা ৩৬৫ দিন চালু থাকে? আপনি আপনার পিসিতে ওয়েবসাইট রাখলে আপনার কম্পিউটার   বন্ধ বা ইন্টারনেট সংযোগ না থকলে আপনার ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইট দেখতে পারবে না।আপনি যে পিসিতে আপনার ওয়েবসাইট হোস্ট করবেন সেটা সবসময় চালু থকতে হবে। আপনার সাইট হোস্ট করা পিসি চালু থাকলেই আপনার ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইট দেখতে পাবেন।

বাংলাদেশের হোস্টিং কোম্পানী সহ বিশ্বের যে সকল হোস্টিং  কোম্পানী আছে, তারা বিভন্ন ধরনের হোস্টিং বিক্রি করে। যেমন: শেয়ার হোস্টিং, ভিপিএস, ডেডিকেটেড সার্ভার ইত্যাদি। আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী আপনাকে হোস্টিং স্পেস কিনতে হবে।

বাংলাদেশের ১০টি সেরা হোস্টিং কোম্পানি

বাংলাদেশের ১০টি সেরা হোস্টিং কোম্পানি-Top 10 Web Hosting company in Bangladesh.

যেকোন ওয়েব সাইটের এর জন্য সর্ব প্রথম যে জিনিসটার প্রয়োজন হয়, তা হচ্ছে ওয়েব হোস্টিং। কারণ আপনার ওয়েবসাইটকে রান বা পরিচালোনা করার জন্য আপনাকে হোস্টিং নিতেই হবে। আর হোস্টিং এর মাধ্যমে আপনার সাইট ভিজিবল বা লাইভ হয়ে আপনার ওয়েবসাইটের যাবতীয় কন্টেন্ট আপনার সাইটে আপনার ভিজিটর দেখতে পাবে। কিন্তু আপনার সাইটের জন্য হোস্টিং নিবেন কই থেকে। আর কিভাবে খুজে বের করবেন আপনার সাইটের জন্য সেরা হোস্টিং কোম্পানি। কারণ ভালোমানের হোস্টিং সার্ভিস না নিলে আপনার সাইটের জন্য ভালো পারফামেন্স পাবেন না। সুতরাং একটা ভালো মানের ওয়েবসাইট তৈরির জন্য ভালো মানের হোস্টিং এবং সেই সাথে মানসম্পূন্ন ও দায়িত্বশীল হোস্টিং প্রোভাইডার বা কোম্পানি সিলেক্ট করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।

বাংলাদেশের ১০ টি সেরা হোস্টিং কোম্পানি

১। হোস্টসেবা (hostseba.com)

২। ডায়ানাহোস্টি (DianaHost)

৩। আলফা নেট বিডি (Alpha net.bd)

৪। এক্সন হোস্টি (ExonHost)

৫। জিয়ন বিডি (XeonBD)

৬। রিয়েল আইটি সলুশন (Real IT Solution)

৭। ওয়েব হোস্ট বিডি (Web Host BD)

৮। হোস্টিং বাংলাদেশ (Hosting Bangladesh)

৯। ঢাকা ওয়েব হোস্ট (Dhaka Web Host)

১০। হোস্ট এভার (Hostever)

বর্তমানে বাংলাদেশে আরও অনেক হোস্টিং কোম্পানি আছে যারা অনেক ভাল মানের হোস্টিং সার্ভিস প্রদান করে আসছে। উল্লেখিত বাংলাদেশের সেরা ১০টি হোস্টিং কোম্পানি এর লিস্ট এ সার্ভিস এবং কোম্পানি এর সেবা এর মানের উপর ভিত্তি করে লিস্টিং করা হয়েছে। এখান থেকে সার্ভিস এর পরিপেক্ষিতে আপনারা সঠিক হোস্টিং কোম্পানি বাছায় করে নিতে পরবেন সহজেই, একজন নতুন অথবা পুরাতন যে কেউ সহজেই তাদের নির্দিষ্ট সেবা খুজে নিতে সাহায্য করবে এবং উল্লেখিত ১০ টি সেরা হোস্টিং কোম্পানি এর যে কোন কোম্পানি থেকে আপনি নির্দিধায় হোস্টিং সার্ভিস নিতে পারেন এবং আশা করি আপনি আপনার সেরা সেবাটায় পাবেন।

Article Credits: itnuthosting.com, infoportalbd.com, amarcourse.com, cyberdeveloperbd.com

 

 

 

ফ্রিল্যান্সিং কি? কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করব? ফ্রিল্যান্সিং এর সুবিধা ও অসুবিধা সমূহ

ফ্রিল্যান্সিং কি বা কাকে বলে ?

Freelancing মানে হলো, যেই কাজের বিষয়ে বিশেষ অভিজ্ঞতা বা দক্ষতা (skills) আপনার আছে, তার সাথে জড়িত কাজ অন্যদের জন্য করা এবং তার বিনিময়ে টাকা নেয়া।
ফ্রিল্যান্সিং হল একটি কাজ করার ধরন, যেখানে আপনি স্বাধীনভাবে একটি প্রকল্প বা কাজে আপনার দক্ষতা ব্যবহার করে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ক্লায়েন্টদের জন্য কাজ করতে পারেন  ফ্রিল্যান্সার হিসাবে আপনি নিজের সময় নির্ধারণ করে কাজ করতে পারেন, এবং নির্দিষ্ট প্রকল্পের জন্য উপযুক্ত মূল্য নির্ধারণ করে প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি অবমুক্তভাবে করতে পারেন ফ্রিল্যান্সিং আপনাকে একটি নিজস্ব ব্যবসা থেকে সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেয়, অনেকেই ফ্রিল্যান্সিং একটি স্বাধীনতা প্রাপ্তির সুযোগ হিসাবে দেখেন

https://www.hostseba.com/aff.php?aff=810

ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শুরু করব ? (How to start Freelancing):

ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে নেয়া কাজ গুলি করার জন্য আপনার কোনো বিশেষ জায়গার প্রয়োজন হবেনা। কারণ প্রায় সব ধরণের কাজ করার জন্য আপনার কেবল একটি ল্যাপটপ (laptop) বা কম্পিউটার (computer) এবং তার সাথে ইন্টারনেট কানেক্শনের প্রয়োজন হবে।

কারণ, নিজের জন্য কাজ খোঁজা থেকে আরম্ভ করে, কাজটি তৈরি করে আপনার ক্লায়েন্ট (client) কে জমা দেয়া, সবটাই ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং সাইট যেমন social media websites, social media groups, freelancing marketplace আরো অনেক। এগুলিতে গিয়ে আপনার করতে হবে।

তাইফ্রিল্যান্সিং এর ক্যারিয়া শুরু করার সাথে সাথে নিজের কাজের নলেজ, অভিজ্ঞতা, দক্ষতা অনলাইন প্রচার বা মার্কেটিং করাটা অনেক জরুরি।

নিজের দক্ষতা( chops) প্রচার বা মার্কেটিং করলে, লোকেরা জানতে পারবেন যে আপনি কোন কাজের বিশেষজ্ঞ বা এক্সপার্ট এবং কোন কাজ আপনি তাদের জন্য করতে পারবেন   এতে, ভবিষ্যতে আপনার দক্ষতার( chops) সাথে জড়িত বিভিন্ন  design বা কাজ অনলাইন পেয়ে যাওয়ার সুযোগও বেড়ে যাবে উদাহরণ স্বরূপে, আমি blogging এবং SEO করতে এক্সপার্ট এক্ষেত্রে, আমি যদি লোকেদের আমার দক্ষতার( chops) বা নলেজের ব্যাপারে না জানাই, তাহলে তারা জানবেন কিভাবে যে আমি তাদের জন্য SEO এর সাথে জড়িত কাজ গুলি করে দিতে পারবো ফ্রিল্যান্সিং এর ক্যারিয়ার শুরু করার সাথে সাথে, নিজের কাজের নলেজ, অভিজ্ঞতা, দক্ষতার অনলাইন প্রচার বা মার্কেটিং করাটা অনেক জরুরি   মনে রাখবেন, অনলাইন যেকোনো মাধ্যমে যখন লোকেরা আপনাকে কোনো কাজ বা  design দিবেন, তখন তারা আপনার ওপরে অনেক ভরসা করেই সেই কাজটি দিবেন তাই, আপনার কাজের ভালো নাম, কাজের অভিজ্ঞতা, ভালো দক্ষতা এগুলি হবে আপনার ব্র্যান্ড( brand) বা নামের পরিচয় এবং, আপনার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারে, একটি ভালো ব্র্যান্ড বা নাম তৈরি করতে পারলেই, অধিক লোকেরা সহজে আপনার ওপরে ভরসা করে কাজ বা প্রজেক্ট দিবেন

মার্কেটপ্লেসে কীভাবে কাজ পাবেন?

ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার শুরু করার জন্য আপনি বিভিন্ন অনলাইন freelancing সাইট বা মার্কেটপ্লেস গুলিতে গিয়ে কাজ শুরু করতে পারবেন।

এই ধরণের সাইট গুলিতে বিভিন্ন employer বা clients রা বিভিন্ন ধরণের কাজ করানোর জন্য ফ্রিল্যান্সারদের খুজেঁন। এবং ফ্রিল্যান্সাররা নতুন নতুন কাজ খোঁজার জন্য এই সাইট গুলিকে ব্যবহার করেন।

আপনার ফ্রিল্যান্সার প্রোফাইলে ঢুকেই সর্বপ্রথম যা চোখে পরে তা হচ্ছে আপনার ছবি প্রোফাইল পিকচার হিসেবে ফরমাল ছবি ব্যবহার করবেন আপনার স্কিল অনুযায়ী ডেসক্রিপশন লিখবেন আপনি যে বিষয়ে এক্সপার্ট, সে বিষয়টি নিয়ে দুই- একটা কাজ সেখানে রাখতে হবে

upwork, freelancer.com এর মতো জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেসে ফ্রিল্যান্সিং স্কিল মেজারমেন্ট নামে একটা পরীক্ষা দেয়া যায় এগুলোতে অংশগ্রহণ করলে সেটি প্রোফাইলের জন্যে মন্দ হবে না কিন্ত! আপনি কী রকম ঘন্টা প্রতি রেটে কাজ করতে আগ্রহী তার একটি সাধারণ ধারণা ক্লায়েন্ট আপনার প্রোফাইলে দেয়া ঘন্টাপ্রতি রেট থেকে পায় এটা ভেবেচিন্তে লিখবেন   একাউন্ট খোলার সময় কোন ফেক তথ্য দিবেন না আপনার একাউন্টের নাম, এনআইডি এবং ব্যাংক একাউন্ট সব জায়গায় নাম, জন্ম তারিখ ইত্যাদি একই হতে হবে

মনে রাখবেন, এই সাইট গুলিতে হাজার হাজার লোকেরা বিভিন্ন ধরণের কাজ করানোর জন্য বিশ্বাসী freelancer দের খুজেঁন। এবং আপনি যদি প্রথমেই নিজের ক্লায়েন্ট (client) এর জন্য সময় মতো ভালো ভাবে কাজ করে দিতে পারেন, তাহলে আপনার ক্যারিয়ারে অনেক ভালো প্রভাব ফেলবে।

ফ্রিল্যান্সিং এর সুবিধা

১. আয়ের একাধিক উৎস
আপনি যখন একজন ফ্রিল্যান্সার হিসাবে কাজ করেন, তখন আপনি কতটা উপার্জন করতে পারেন তার কোনও সীমা নেই। যার যত বেশি দক্ষতা, সে তত বেশি আয় করতে পারবে।

২. স্ব ব্যবস্থাপনা
আপনি কোন কাজটি করবেন কোনটি করবেন না, তার সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ আপনার হাতে থাকবে। ফ্রিল্যান্সিং একটি স্বাধীন ও মুক্ত পেশা যার বস একান্ত নিজেই।

৩. নমনীয় ঘন্টা
ফ্রিল্যান্সিং এর আরেকটি বড় সুবিধা হল যে আপনি বেছে নিতে পারেন কোন কাজের ঘন্টা আপনার জন্য সবচেয়ে ভালো। আপনি চাইলে রাত ১২ টা থেকেও করতে পারেন, বা ভোর ৫টা থেকে। প্রথাগত চাকরিতে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টব কর্মঘন্টা থাকে কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং এ কোন বাধাধরা সময় নেই।

৪. যেকোন স্থানে বসে কাজ করার সুযোগ
একজন ফ্রিল্যান্সার কার্যত বিশ্বের যে কোনো জায়গা থেকে কাজ করতে পারেন।  আপনি যেখানে চান আপনার ল্যাপটপ নিয়ে যেতে পারেন।

৫. হোম বেনিফিট থেকে কাজ
যেহেতু একজন ফ্রিল্যান্সার অফিসে যেতে হয় না, তাই যাতায়াতের সময়, ট্রাফিক জ্যাম, পোশাক এবং খাবারের খরচ এবং অন্যান্য প্রথাগত অফিসের বিরক্তিকর বিষয়গুলি এড়াতে পারেন।

৬. আর্থিক নিরাপত্তা
ফ্রিল্যান্সিং এর অন্যতম সেরা সুবিধা হল আপনার আর্থিক নিরাপত্তা। একজন দক্ষ ফ্রিল্যান্সার ক্লায়েন্টদের কাছ থেকে ভালো চার্জ করতে পারে। কিছু কিছু ক্লায়েন্ট অনেক সময় দীর্ঘমেয়াদী কাজ করবে আপনার সাথে।
 

ফ্রিল্যান্সিং এর অসুবিধা

১. আয়ের অনিয়মিয়তা
আপনি যদি একজন ফ্রিল্যান্সার হন, তবে আপনি প্রতি মাসে অর্থ উপার্জন করবেন এমন কোন গ্যারান্টি নেই। 

২. সুবিধার অভাব
একটি কোম্পানির কর্মীরা যেসব সুযোগ সুবিধা পায়. ফ্রিল্যান্সাররা সেরকম সুবিধা পান না। 

৩. কাজের গ্যারান্টি নেই
আপনি হয়তো দীর্ঘদিন কোন কাজ নাও পেতে পারেন।

৪. দীর্ঘ সময় কাজ
একজন ফ্রিল্যান্সার হিসাবে, আপনাকে সম্ভবত বাড়িতে বেশি সময় কাজ করতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি লিখছেন, তাহলে আপনাকে সম্ভবত জেগে থাকতে হবে এবং রাত পর্যন্ত কাজ করতে হবে।

৫. স্বাস্থ্য সমস্যা
দীর্ঘ সময় একটানা বসে থাকা এবং রাত জাগা, ভবিষ্যতে আপনার স্বাস্থ্য ঝুকিতে পেলতে পারে।

৬. ঝুঁকি
আপনি যদি কাজ না পান, বা আপনার কাজ যথেষ্ট ভাল না হয় তবে কী করবেন? আপনার নিয়মিত কাজ নাও থাকতে পারে।

আজ অনলাইন এবং ইন্টারনেটের দুনিয়াতে সুযোগ অনেক রয়েছে। লক্ষ লক্ষ লোকেরা বিভিন্ন ছোট ছোট কাজের জন্য একজন কর্মচারী (employee) রেখে তাকে মাসে মাসে টাকা দেয়ার থেকে একজন freelancer কে দিয়ে সেই কাজ অনেক কম টাকায় সহজে করিয়ে নিচ্ছেন।

কোনো বিশেষ কাজে আপনার যত বেশি অভিজ্ঞতা (experience) থাকবে, ততটাই বেশি টাকা আপনি প্রত্যেক কাজের জন্য চার্জ (charge) করতে পারবেন।

Article Sources: www.azharbdacademy.com, https://whatminhazulasifwrite.com, https://www.linkedin.com/in/golam-rabbany

 

Featured Post

ওয়েবসাইট কি? ডোমেইন এবং হোস্টিং কি? বাংলাদেশের ১০টি সেরা হোস্টিং কোম্পানি

ওয়েবসাইট কি (What is Website) উকিপিডিয়ার মতে ওয়েবসাইট বলতে বোঝায়, কোন নির্দিষ্ট ওয়েব সার্ভারে রাখা- ওয়েব পেজ,ভিডিও,অডিও, ছবি বা যে ক...